
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ভোলার সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ধর্ষক গোপাল দেবনাথকে (৪৫) দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে এবং পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ভোলা সদর হাসপাতালে ছুটে যান জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের উত্তর দিঘলদী সাকিনে এই জঘন্য অপরাধটি সংঘটিত হয়। আসামী গোপাল দেবনাথ তার নিজ বসতঘরে ওই ছাত্রীকে ফুসলিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভোলা সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা (মামলা নং-৪৭, তারিখ-১৪/৫/২৬ ইং) রুজু করা হয়। পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনায় দ্রুততম সময়ে আসামিকে আইনের আওতায় আনতে মাঠে নামে পুলিশ। ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ফিরোজ আলম ও এসআই পলাশ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত গোপাল দেবনাথকে উত্তর দিঘলদী এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভিকটিমকে দেখতে যান পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)। তিনি ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে সান্ত¡না প্রদান করেন। এসময় তিনি ভিকটিমের পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, “এই জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করবে।” এছাড়া তিনি ভিকটিমের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। পুলিশ সুপারের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ সময়: ১২:২১:৩০ ১১৮ বার পঠিত