
শাহিন আলম মাসুদ, লালমোহন ॥
ভোলার লালমোহন উপজেলার উত্তর বাজার বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজ। তিনি বলেন, একটি মহল মসজিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণè করতে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
রবিবার (৩ মে) দুপুরে লালমোহন প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজ জানান, গত ২ মে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। জনৈক আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দিয়েছেন বলে প্রচার করা হলেও, বাস্তবে ওই এলাকায় এ নামের কোনো অভিযোগকারীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ২৩ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী কমিটির কাছ থেকে চারটি ব্যাংক হিসাবে মোট ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা বুঝে পায় বর্তমান কমিটি। দায়িত্ব নেওয়ার সময় মসজিদের জরাজীর্ণ অবস্থা, ছাদ দিয়ে পানি পড়া এবং অযুখানা-টয়লেটের বেহাল দশা ছিল।
আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কমিটি নিুোক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে: যৌথ স্বাক্ষর: পূর্বে তিনজনের স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলনের বিধান থাকলেও, বর্তমানে স্বচ্ছতা রক্ষায় সভাপতিসহ চারজনের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
উন্নয়ন কাজ: রেজুলেশনের মাধ্যমে উপ-কমিটি গঠন করে মসজিদের রং, টাইলস, মেরামত, গিজার স্থাপন ও কার্পেট ক্রয়ের কাজ স¤পন্ন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য নুরে আলম মনজু দোকান ভাড়া নিয়ে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করছেন। ক্যাশিয়ারের মাত্র দুই মাসের ভাড়া বকেয়া রয়েছে, যা প্রক্রিয়াধীন।
সেক্রেটারির বিরুদ্ধে রুম দখল বা অন্যান্য যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোকে ‘নি¤œমানের ও মানহানিকর’ উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, “মসজিদকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য বর্তমান কমিটি বদ্ধপরিকর। একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” সংবাদ সম্মেলনে মসজিদ কমিটির অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ০:২৮:৩০ ১১০ বার পঠিত