
স্টাফ রিপোর্টার ॥
দীর্ঘ বিরতির পর ভোলায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলায় ১৪টি কেন্দ্রে মোট ৮ হাজার ৬২৫ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও প্রথম দিনে অংশ নেয় ৫ হাজার ৭৪৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৮৮২ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৩.৪২ শতাংশ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৬৬.৫৮ শতাংশ। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলে ২ হাজার ২৮৬ জন এবং মেয়ে ৩ হাজার ৪৫৭ জন।
পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, মেধা যাচাই ও শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে প্রতি বছর বৃত্তি পরীক্ষা চালু রাখা প্রয়োজন। তাদের মতে, এই পরীক্ষা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জানা গেছে, বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এই চারটি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণÍএই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রী সমান হারে (৫০ শতাংশ করে) নির্বাচিত হবে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে দেশে সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালু হওয়ার পর এটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২২ সালে পরীক্ষামূলকভাবে পুনরায় চালু হলেও তা নিয়মিত হয়নি।
বাংলাদেশ সময়: ১৩:৪২:২৮ ৯৩ বার পঠিত