হাম হলে কি কি সতর্কতা মানা জরুরি

প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » হাম হলে কি কি সতর্কতা মানা জরুরি
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬



---

স্বাস্থ্য ডেস্ক ॥

দেশের বাতাসে মারাত্মক আকারে ছড়িয়েছে হাম ও রুবেলার ভাইরাস। আক্রান্ত হচ্ছে অনেক শিশু। তাই আদরের সন্তানকে সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন। সেইসঙ্গে অভিভাবক হিসেবে আপনাকেও সচেতন থাকতে হবে।

হামের লক্ষণ

হাম হলে শিশুর ১০১ক্ক ফারেনহাইট থেকে ১০৪ক্ক ফারেনহাইটেরও বেশি জ্বর হতে পারে। অনবরত কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে পানি পড়া, মুখের ভেতরে ছোট ছোট সাদা দাগ, লাল দাগের র্যাপশ ইত্যাদিও হামের লক্ষণ। লাল র্যা শ সাধারণত মুখ বা চুলের গোড়া থেকে শুরু হয়ে শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

হাম হলে কী করা উচিত?

উপসর্গ দেখে যদি মনে হয় হাম হয়েছে, তাহলে নিকটতস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। লক্ষণগুলো তাদের জানান, এবং পরবর্তী করণীয় স¤পর্কে জেনে নিন। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ বা আপনার চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া জরুরি বিভাগ বা হাসপাতালে যাবেন না। কারণ আপনার মাধ্যমে অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে।

এটি শুধু শিশুদের রোগ নয়

হাম শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও, এটি বড়দেরও হতে পারে। শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়, কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকে। আবার অনেক সময় টিকা অস¤পূর্ণ থাকে। বড়দের মধ্যে যারা শৈশবে টিকা নেননি বা পূর্ণ ডোজ স¤পন্ন করেননি, তারাও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

লক্ষণ কি আলাদা?

হামের লক্ষণগুলো ছোট বড় সবার ক্ষেত্রে প্রায় একই। জ্বর,সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া, লাল র‌্যাশ ইত্যাদি। তবে বড়দের ক্ষেত্রে উপসর্গ বেশি তীব্র হতে পারে।

যা করা উচিত

আপনার বা শিশুর হাম হলে বাইরে গেলে মাস্ক পরুন। আপনার দ্বারা যেন অন্যরা সংক্রমিত না হয় সে খেয়াল রাখুন।

কাশি বা হাঁচির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন এবং ব্যবহৃত টিস্যুটি ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন। কাছে টিস্যু না থাকলে, হাতে না ধরে জামার উপরের অংশ বা কনুইতে কাশি বা হাঁচি দিন।

ঘন ঘন হাত সাবান পানিতে হাত ধুয়ে নিন।

খাওয়ার প্লেট, গ্লাস এসব ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না।

ঘন ঘন ¯পর্শ করা হয় এমন দরজার হাতল, টেবিল এবং ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করুন।

খাবারে সতর্কতা

শিশুর হাম হলে পানিশূন্যতা রোধ করতে পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাবার দিতে হবে। ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ খাবার গাজর, মিষ্টি আলু, পালংশাক এবং ব্রকলি খাদ্যতালিকায় রাখুন। কারণ ভিটামিন ‘এ’ সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

শক্তি ফেরাতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন চর্বিহীন মাংস, মুরগি, মাছ, ডিম, দুধজাত খাবার, ডাল, বাদাম এবং বিভিন্ন ধরনের বীজ খাওয়ান।

শিশুর খাদ্যতালিকায় লাল মাংস, মুরগির মাংস, শিম, বাদাম এবং গোটা শস্যের মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। এগুলোতে জিঙ্ক আছে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য জিংক যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি হামের স্থায়িত্ব কমাতেও সাহায্য করে।

আরোগ্য লাভের জন্য খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার রাখুন। যেমন লেবুজাতীয় ফল, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম এবং কিউইয়ের মতো ফল রাখতে পারেন।

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, চিনিযুক্ত, ঝাল ও ক্যাফেইন জাতীয় খাবার থেকে শিশুকে বিরত রাখুন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৩৬:১৭   ৩০ বার পঠিত  







পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

সর্বশেষ’র আরও খবর


বোরহানউদ্দিনে দুধ দিয়ে গোসল করে “জুয়া খেলা” ছাড়ার ঘোষণা যুবকের
‘ইলিশের বাড়িতেও’ বৈশাখের দাপট, কেজি সাড়ে ৩ হাজার টাকা
মনপুরায় সন্তানের সামনে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ, গৃহবধূর পিতাকে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামী আটক
চরফ্যাশন-মনপুরার হাটবাজার ও পরিবহন খাজনা -টোল সম্পূর্ণ মওকুফ করেছেন এমপি নয়ন
ভোলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটিকে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা
লালমোহনে ৪ সন্তানের জননীর ‘রহস্যজনক’ আত্মহত্যা
সংরক্ষিত নারী আসনে ভোলায় জনগণের আস্থা খালেদা খানম
ভোলায় ৩০ পিচ ইয়াবাহ একজন আটক
আলহাজ্ব মুহাম্মদ শওকাত হোসেন, দৈনিক আজকের ভোলা এবং সত্যের পথে ৩৩ বছরের অগ্রযাত্রা
সরকারপক্ষকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে প্রমাণের চেষ্টা করছে বিরোধীদল: ব্যারিস্টার পার্থ



আর্কাইভ