
স্টাফ রিপোর্টার ॥
সামাজিক নৈতিক দায়িত্ববোধ অবক্ষয়ের কারনে প্রতিনিয়তই বাড়ছে ভয়ংকর অপরাধ। মানুষের আচরণ হচ্ছে পশুর ন্যয়, সুযোগ পেলেই হায়নার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা বুঝতে চায় না ধরণীর যাহা কিছু গড়ে উঠেছে অর্ধেকেরই অবদান নারীর। তাই আমাদের উচিত তাদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়ার সুযোগ।
স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে ঘর থেকে পা রাখতে আক্রমণের শিকার নরপশু হায়নাদের দ্বারা। বলছিলাম দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কিশোরীর কথা। গত বৃহস্পতিবার ১২ বছর বয়সী কিশোরী বাসা থেকে বের হয়ে বাড়ির পিছনে খেলতে গিয়েছিলেন বন্ধুদের সাথে। খেলা শেষে পাশের বাড়ির আত্মীয়ের সাথে দেখা করে বাড়ি ফেরার পথে দেখা হয় ওত পেতে থাকা হায়নাদের সাথে।
নির্যাতনের শিকার শিশুটি কোনোমতে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। এক পর্যায়ে পুকুরে পড়ে যায়। ওই বাড়ির নারীরা তাকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দেয়। রাতেই তাকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন চরপাতা ইউনিয়নের ফারুক (৪২) ও মেদুয়া ইউনিয়নের ইব্রাহিম (২৭) দুজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. জোনায়েত হোসেন জানান, শিশুটি ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে ভর্তি হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা করছি।
বাংলাদেশ সময়: ০:৫৫:৩৯ ৮০ বার পঠিত