
লালমোহন প্রতিনিধি ॥
ভোলার লালমোহন পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষের হামলায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের চেরাগ আলী খলিফা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এই বিষয়ে ভুক্তভোগী শামসুন্নাহার অভিযোগ করে বলেন, আমি আমার শশুরের আমল থেকে’ই দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে ৪ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসছি। হঠৎ করে পাশ্ববর্তী হালিম ও ফারুক গংরা আমার জমি জবরদখলের চেষ্টা করলে আদালতের সহযোগিতা নেই। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক একটি নোটিশ জারির মাধ্যমে এই জমিতে কোনো স্থাপনা সহ সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ থাকার জন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারী হয়। মামলার শুনানি হয়েছে গত ২৫ তারিখে ২৬ তারিখ থেকে’ই আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই জমিতে ঘর উত্তলনের কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। শুক্রবারে সবাই নামাজে গেলে আব্দুল হালিম, ফারুক এর নেতৃত্বে হেল্লাল, বেল্লাল, সাকিব, সেলিম, খলিল, আকলিমা সিমা, আছিয়া সহ আরো অনেকেই আমার ঘরের মধ্যে এসে ঘর দখলের উদ্দেশ্য করে আমার উপর হামলা করে এবং মালামাল ভেঙেচুরে আমাকে টেনেহিঁচড়ে ঘর থেকে বের করার চেষ্টা করে। আমার চিৎকারের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে এবং তারাও গুরুতর ভাবে আহত হয়। একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে ৯৯৯ এ ফোন করার পর পুলিশ আসলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে আমরা চিকিৎসা নেওয়ার জন্য লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি হই।
এ ঘটনায় আহত হওয়া মোঃ আতাউর রহমান ও জাকারিয়া সুমন বলেন, আমার নামাজের উদ্দেশ্য মসজিদে রওনা হয়েছি এক পর্যায়ে চিৎকারের শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখি শামসুন্নাহার কে ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করা হচ্ছে। এটা দেখে আমরা উদ্ধার করতে গেলে আমাদের উপরও হামলা করে। আমরা হামলার শিকার হয়ে লালমোহন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ভর্তি হই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ হেল্লাল ও বেল্লালের কাছে জানতে গেলে, বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার এসআই খন্দকার ফাহিম মুনতাছির বলেন, ৯৯৯ থেকে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। তবে সেখানে গিয়ে কাউকে কাজ করতে দেখা যায়নি।
বাংলাদেশ সময়: ২২:১৪:৩১ ২৭৫ বার পঠিত