
দৌলতখান প্রতিনিধি ॥
ভোলা-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে দৌলতখান উপজেলায় নজরকাড়া এক গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দৌলতখানের রাজনীতিতে কাফনের কাপড় পরিহিত এই গণমিছিল শুধু একটি প্রচারণা নয়, বরং প্রতীকী প্রতিবাদী হিসেবেই আলোচিত হয়ে উঠেছে।
কাফনের কাপড় পরিধান করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে এই গণমিছিলে অংশ নেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থকরা। ওই মিছিলটি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, ভোলা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুফতি ফজলুল করিম।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতখান পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণমিছিলটি।
কাফনের কাপড় পরিহিত অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন শ্লোগানে নির্বাচনী পরিবেশ, ভোটাধিকার এবং রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং মিছিল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে নানা ধরনের শ্লোগান দেখা যায়।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, কাফনের কাপড় পরিধান করে মিছিল করার মাধ্যমে তারা নিজেদের জানান দিচ্ছেন কেউ ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।
এছাড়াও তারা আরও বলেন, “ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত”- কারও রক্তচক্ষুকে আমরা পরোয়া করিনা। এটা বার্তাই ছিল তাদের কাফনের কাপড় পরিধান করে মিছিল করার মূল উদ্দেশ্য।
গণমিছিলে বক্তব্যে মুফতি ফজলুল করিম বলেন, কেউ ভোট কেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থকেরা জীবন দিয়ে হলেও তা প্রতিরোধ করবে। কোনো অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না।
এসময় তিনি আরও বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে অবৈধভাবে চর দখল, ঘাস দখল, চাঁদাবাজি ও দখলদারি মুক্ত করা হবে এবং একটি সম্প্রীতির সমাজ বিনির্মাণ করা হবে।
এদিকে, ব্যতিক্রমধর্মী এই কর্মসূচিতে দৌলতখানজুড়ে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এটিকে রাজনৈতিক প্রতিবাদের প্রতীকী ভাষা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এটিকে নির্বাচনী প্রচারণার নতুন কৌশল বলেও মন্তব্য করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ সময়: ২:০১:০৩ ১৩৭ বার পঠিত