মনপুরা প্রতিনিধি।।
ভোলার মনপুরায় আলোচিত “প্রেমিকা বেঁধে রেখে, প্রেমিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলায় ৬ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর একজনকে গ্রেফতার করে র ্যাব। পরে আটককৃত আসামীকে মনপুরা পুলিশকে হস্তাস্তর করে।
এদিকে আলোচিত সেই ধর্ষণের ঘটনায় মূল আসামীরা এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলাবাহিনী গ্রেফতার করতে না পারায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে ভোলা জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
এর আগে বুধবার বিকেলে র ্যাব-৮ এর সদস্যরা ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাকিমউদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে আলোচিত ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় মামলার ৫ আসামীর মধ্যে এক আসামীকে গ্রেফতার করে মনপুরা থানা পুলিশকে হস্তান্তর করে।
আটককৃত আসামী হলেন, ইদ্রিস মাঝি। পলাতক অপর ৪ আসামীরা হলেন আল- আমিন, মাকসুদ, আলমগীর পিটার, গিয়াসউদ্দিন। এদের সবার বাড়ি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় ধর্ষকরা এখনো আইনের বাইরে রয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে “তদন্ত চলছে” বলে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তারা মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে মনপুরা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এ্যাডভোকেট রাহাদ জানান , ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে অপরাধী দ্রুত গ্রেপ্তার না হওয়া বিচারহীনতার সংস্কৃতিকেই উসকে দেয়। এতে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এই বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহামুদ আল ফরিদ ভূইয়াঁ বলেন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় ৫ আসামীর মধ্যে একজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আসামীদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮:১৬:৫৫ ১৩২ বার পঠিত