
আজকের ভোলা রিপোর্ট ॥
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকাহত দেশ; তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক বার্তা এসেছে দল-মত-নির্বিশেষে।
আশির দশকে বিএনপির হাল ধরে খালেদা জিয়া স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে কী ভূমিকা রেখেছেন, পরবর্তীতে তিন দফা রাজপথ থেকে প্রধামন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মাঠে থেকে কাজ করে গেছেন- বিভিন্ন দল ও সংগঠনের শোকবার্তায় এসবই স্মরণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৪০ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকা খালেদা জিয়া মারা গেছেন মঙ্গলবার ভোরে।
তার মৃত্যুর খবরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এক শোক বার্তায় খালেদা জিয়ার জন্য প্রার্থনা করেন।
ফেইসবুক স্টে তিনি লিখেছেন, “মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ওপরে রহম করুন, ক্ষমা করুন এবং তার প্রিয় জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন।”
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ফেইসবুক পোস্টে বলেন, “স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার সাহসী নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে এদেশের মানুষকে পথ দেখিয়েছে।
“নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা।”
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম তুলে ধরেন নাহিদ লিখেছেন, “দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন এবং চড়াই-উৎরাই পার করেছেন, কিন্তু নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তিনি ছিলেন অবিচল। দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ছিলেন আপোসহীন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, “খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি রাজনৈতিক দল হয়ে উঠেছিল। বাস্তবে নানা ব্যক্তিগত দুর্যোগ, পারিবারিক শোক, বিপর্যয়- সবকিছুকে পায়ে দলে দেশের ডাকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি আপসহীন নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেছেন।
“পরবর্তীকালে সরকারের দায়িত্বে ছিলেন। বিশেষ করে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের দুঃশাসনেও তিনি শারীরিকভাবে মাঠে উপস্থিত থাকতে না পারলেও অসাধারণ ভূমিকা রেখে গোটা আন্দোলনে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন গোটা আন্দোলনের চালিকা শক্তি।”
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এক শোক বার্তায় বলেন, “দেশের মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন।”
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল শোক প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলেন “খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসীর মত আমরাও আজ শোকে মুহ্যমান। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি এখন অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবেন।
“এরশাদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এক অনমনীয় সাহসের প্রতীক হয়ে তিনি বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জনগণের কাছে আপসহীন নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।”
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে সভাপতি মাহমুদ হাসান খান শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘বিজিএমইএ পরিবার তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা সমগ্র পোশাক শিল্প পরিবার গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
“দেশ একজন অভিভাবক ও কালজয়ী দেশপ্রেমিক নেতাকে হারাল। জাতীয় জীবনে এই অপূরণীয় শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।”
শোক প্রকাশ করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম এক বার্তায় বলেন, ‘মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকাহত সকলকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করুন।
“খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ছিল সততা, নীতি, দায়িত্ববোধ ও জনকল্যাণের প্রতি অটল অঙ্গীকার। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় তিনি আজীবন লড়াই করে গেছেন এবং নীরব দৃঢ়তার সঙ্গে দেশের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, পাশাপাশি জাতীয় অর্থনৈতিক কাঠামো সুদৃঢ়করণে তিনি অনন্য অবদান রেখেছেন। তার ব্যক্তিত্বের সরলতা, মানবিকতা, সহনশীলতা ও দূরদৃষ্টি আমাদের জাতীয় জীবনে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।”
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) পক্ষ থেকে সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক শোক বার্তায় বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারালো। তার মত একজন অভিজ্ঞ ও দৃঢ় নেতৃত্বের অধিকারী নেত্রীর প্রয়াণে জাতীয় জীবনে একটি বড় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকাশ, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আকতার মালা ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক বার্তায় বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইআরএফ পরিবার। তার মৃত্যুতে দেশ একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল।”
পুঁজিবাজার সংক্রান্ত সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) সভাপতি গোলাম সামদানি ভূইয়া ও সাধারণ স¤পাদক আবু আলী শোক বার্তায় বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল। তার মত একজন অভিজ্ঞ ও দৃঢ় নেতৃত্বের অধিকারী নেত্রীর প্রয়াণে জাতীয় জীবনে একটি বড় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।”
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মর্মাহত ও শোকস্তব্ধ।
“গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। রাজনৈতিক জীবনে অনেক চড়াই-উৎরাই ও কারাবরণ করলেও খালেদা জিয়া কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুৎ হননি।”
‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতারা বিবৃতিতে বলেন, “গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বেগম জিয়ার সংগ্রামের কথা স্মরণ রেখে শোককে শক্তিতে পরিণত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের জন্য সংগ্রাম জারি রাখতে হবে।”
এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদ-এর সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “তিনি দুনিয়ায় যে সম্মান পেয়েছেন পরকালেও সবার কাছে সম্মান পান- এটা চাই। খালেদা জিয়া এ রাষ্ট্রের মাতৃসুলভ অভিভাবক। কখনও উনার মুখ থেকে হিংসাÍক কথা, প্রতিহিংসামূলক কথা শুনিনি। সত্যিকার অর্থে অভিভাবক হারিয়েছি।”
সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেন, “দেশ, জাতি, সার্বভৌমত্বের জন্য খালেদা জিয়ার অবদান আমরা ভুলতে পারি না। পুরো দেশের জনগণ তাকে ভালোবাসে। এটা অন্য কিছু দিয়ে পূরণ সম্ভব নয়। অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তাকে হারিয়ে।”
১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার ও মহাসচিব নওয়াব আলী আব্বাস খানের বিবৃতিতে বলা হয়, “বেগম জিয়া ছিলেন অপসহীন নেত্রী, তার নেতৃত্বে ও অনুপ্রেরণায় আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে বিজয় হয়েছি। দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ যখন গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছিল, সেই মুহূর্তে বেগম জিয়ার প্রস্থান, আমাদেরকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।”
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের শোকবার্তায় বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রতিনিধি ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা ও বহুদলীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল যা সহসাই পূরণ হবার নয়।”
খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন।
এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, “এরশাদ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও ভূমিকা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে। লড়াকু ও দৃঢ় নেতৃত্বের জন্য তিনি ভবিষ্যতেও মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হবেন।”
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকেও শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
জাসদের বিবৃতিতে বলা হয়, “এরশাদ সামরিক শাসনবিরোধী ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে আপসহীন ভূমিকা পালনের জন্য বেগম খালেদা জিয়া চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।”
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ একজন সাহসী গণতান্ত্রিক নেত্রীকে হারাল, যার নেতৃত্ব ও ত্যাগ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারাবরণ, নিপীড়ন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি শুধু বিএনপির নেত্রীই না, গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ঐক্যের প্রতীক।”
বৈষম্যবিরোধী সৃজনশীল গ্রন্থ প্রকাশক সমিতির সভাপতি সাঈদ বারী ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হাসান শোকবার্তায় বলেন, “আমরা হারালাম একজন সংস্কৃতিমনা রাষ্ট্রনায়ক, বইপ্রেমী মানুষ এবং শিক্ষা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের এক অকৃত্রিম পৃষ্ঠপোষককে।’
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাসান তারিক চৌধুরী বিবৃতিতে বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং এর জন্য বিভিন্ন সময়ে কারাভোগসহ নানাধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশের বিজ্ঞ আইনজীবীগণ তার এই অবদান চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”
শোক বার্তা পাঠিয়েছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুইঁয়া, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি(এফবিসিসিআই), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি(ডিসিসিআই), বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন(বাজুস) ও আবাসন খাতের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
বাংলাদেশ সময়: ২১:৫০:১৫ ২০৩ বার পঠিত