নেওয়াজ শরীফ ॥
ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়নের দাবিতে ভোলায় এই নিয়ে টানা ৩য় দিনের মতো বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১২টায় নতুন বাজার প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ শেষে এই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিবর্তন যুব উন্নয়ন সংস্থা ও জাগরণী ফাউন্ডেশনের ব্যানারে ভোলার ছাত্র-জনতা এতে অংশগ্রহণ করেন।
ভোলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক মেসকাত আহাম্মদের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সমন্বয়কারী মো. মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম সমন্বয়কারী ইয়াসির আরাফাত, শিবিরের শহর শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল আমিন, এনসিপির সদর উপজেলা সমন্বয়কারী মো. আতিকুর রহমান, জাতীয় যুব শক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. মাহিন মোল্লা, ভোলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. জিদান আনাবীর, যুব পরিবর্তন উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মো. নেওয়াজ শরীফ, এনসিপি নেত্রী নাসরিন বেগম ও শিক্ষক মো. ইয়াছিন শরীফ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতুসহ ৫ দফা দাবিতে চরফ্যাশন থেকে লং মার্চ কর্মসূচি দিয়ে একদল তরুণ নদী পার হয়ে ঢাকার শাহবাগে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে গতকাল ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেখানে ভোলা সদর আসন ছাড়া অন্য আসনগুলোর এমপি প্রার্থীদের দেখা যায়নি। এরাই ‘নির্বাচনের সময় ভোলা-বরিশাল সেতুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে ‘আমরা এসব সুবিধাভোগীদের ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকবো।
তারা আরও বলেন, শহবাগের সমাবেশ থেকে সরকারকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এতে আমরা পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করছি। যদি এরই মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার দাবিগুলো না মানে, তাহলে ভোলার সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে ভোলা থেকে গ্যাস ভর্তি যে গাড়ি ঢাকায় উদ্দেশ্যে যায়, সেগুলো আমরা আটকে দিবো। এছাড়াও বোরহানউদ্দিনের পাওয়ার প্লান্ট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিভিন্ন জেলায় যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে, তা বন্ধ করার মতো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার হুঁশিয়ারী দেন তারা। এসময় ভোলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০:৫১:৫৬ ১২২ বার পঠিত