
স্টাফ রিপোর্টার ॥
ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া গ্রামে রহস্যজনকভাবে এক বালিকা গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের দাবি- স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে তাদের মেয়েকে হত্যা করেছে। আর ছেলের পরিবারের দাবি মারিয়া স্টক করে মারা গেছে। নিহত মারিয়া আক্তার মিম (১৬) কাচিয়া গ্রামের মনির হোসেন ও বিবি খাদিজা রড় মেয়ে। তার স্বামী রাকিব একই গ্রামের নুরুল ইসলাম ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ভোলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ছেলের স্বজনের দাবি, মঙ্গলবার বিকালে মারিয়া মাথরুমে পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পরে। পরে তাকে স্বজনরা উদ্ধার করে স্থানীয় ডাক্তার দেখালে তারা ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করতে বলে। পরে সেখানে চিকিৎসা নিলে ডাক্তার অবস্থা আশংকা জনক দেখে বরিশাল রেফার করে। পরে পরিবারের স্বজনরা বুধবার সকালে এম্বুল্যান্স যোগে বরিশাল নিয়ে যাওয়ার পথে ভেদুরিয়া ফেরিঘাটে মারা যায়।
পরিবারের স্বজনা বলেন, মারিয়া স্টক করেছ মারা গিয়েছে বলে জানান। পরে মারিয়ার লাশ তাদের বাড়িতে কোন রকম বুঝিয়ে দিয়ে রাকিবের নানা ও তার মামা পালিয়ে যায়।
এতে মারিয়ার পরিবারে সন্দেহ এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তাদের দাবি মারিয়াকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করেছে। তারা ঘটনাটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে চালিয়ে দিতে চাইছে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা সকালে ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং ভোল সদর মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মনাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এই ঘটনায় ভোলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মেয়ের বাবা মনির হোসেন।
নিহতের মা বিবি খাদিজা অভিযোগ করে বলেন, ৬ মাস আগে আমার আদরের মেয়েটাকে পার্শ্ববতী রাড়ি রাকিব উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে আমার মেয়েকে নিয়ে আসলে তারা আবার নিয়ে যায়। আর এখন আমার মেয়েকে মেরে লাশ করে দিয়ে গেছে। আমার মেয়ে অসুস্থ হলে অসুস্থ অবস্থায় দিয়ে যেতো। মেরে ফেললো কেন। আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।
বাংলাদেশ সময়: ৩:৩৪:৫৫ ১২৭৭ বার পঠিত