
স্টাফ রিপোর্টার ॥
ভোলা সদর উপজেলা ০৮নং আলীনগর ইউনিয়নে ০৮নং ওয়ার্ড রুহিতা গ্রামে ফরাজী বাড়ীতে জমিজমার বিরোধে জেরধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মোঃ শহিদুল ফরাজী নেতৃত্বে নাইম ফরাজী, নাজমুল ফরাজী, নাহিয়ার ফরাজী, বিল্লাল, তনভিরসহ আরো ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী মিলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ ঘটিকায় সময় শামীম ফরাজী, লিটন ফরাজী, আকতার, নয়ন ফরাজী, হাফিজুর রহমানকে এলোপাথারি পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত ফুলা জখম করে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮ ঘটিকায় তাদের বসতঘরে ডুকে একা পেয়ে নাছিমা বেগম ও সাথি বেগম কে এলোপাথারি কুপিয়ে পিটিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে তাদের ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন দৌঁড়ে আসলে সন্ত্রাস বাহিনী জীবননাশের বিভিন্ন হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে অচতেন অবস্থায় নাছিমা ও সাথীকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। বর্তমানে আহত নাছিমা ও সাথী মুমূর্ষ অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে ও শামিম, লিটনসহ অনেকে জানান, দীর্ঘ দিন যাবত আমাদের জমি আমরা ভোগদখল করে আসিতেছি। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং সকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শহিদুল ফরাজী এর নেতৃত্বে নাইম, নাজমুল, নাহিয়ান, বিল্লাল, তানভিরসহ ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী দা, লোহার রড, ছেনি, লাঠিসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীও অস্ত্র নিয়ে শামীম, লিটন, আকতার, হাফিজুর রহমানকে এলোপাথারি পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। ১৮ সেপ্টেম্বর-২০২৪ইং সকাল অনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় শহিদুল ফরাজী নেতৃত্বে ২য় বারের মতো উল্লেখিত সন্ত্রাসী দল দা, বগি দা, লোহা রড, লাঠি নিয়ে এসে নাছিমা ও সাথীকে একা তাদের বসতঘরে পেয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে পিটিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত যখম করে এবং তাদের গলায়, কানে ও ঘরে থাকা স্বর্ণ অলংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। আহতদের ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন এসে সন্ত্রাসী বাহিনী থেকে উদ্ধার করে অচতন অবস্থায় তাদেরকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
শহিদুল গং বাহিনী যাওয়ার সময় সাসিয়ে যায় আবার এক সময় তোদেরকে জীবনের শেষ করে দিব। জমি নিয়ে বেশি বারাবারি করলে।
আহত ব্যক্তিগন বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভূকছেন প্রশাষনের হস্থক্ষেপ কামনা করছেন।এলাকার লোকজন জানান পূর্বে থেকেই বিরোধীও জমি শামিম গংরা ভোগ দখল করে আসছে। বর্তমানে একটি কুচμী মহল পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এই জমি দখল করার জন্য পায়তারা দিচ্ছে এবং বেলা ১২ ঘটিকার সময় ৩য় বারের মতো শহিদুল গংরা বিরোধীয় সুপারি বাগান থেকে ছোট বড় সকল সুপারি নিয়ে যায়। এত প্রায় ১ লক্ষ টাকার সুপারি ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১:৪২:১৪ ৩১৫ বার পঠিত