ভোলা প্রেসক্লাব নির্বাচন-২০২০ ॥ সভাপতি পদে হাবিব-মিঠু-অনু ও সম্পাদক পদে শাহিন, অপু, ফারুক, আল আমিনের মনোনয়ন দাখিল ॥ ভোটের নামে প্রহসনের আশঙ্কা

প্রচ্ছদ » জেলা » ভোলা প্রেসক্লাব নির্বাচন-২০২০ ॥ সভাপতি পদে হাবিব-মিঠু-অনু ও সম্পাদক পদে শাহিন, অপু, ফারুক, আল আমিনের মনোনয়ন দাখিল ॥ ভোটের নামে প্রহসনের আশঙ্কা
রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০



আজকের ভোলা রিপোর্ট ॥
সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গতকাল রবিবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৪জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আজ ২৮ ডিসেম্বর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে আজই প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঝে মাত্র ১ দিন জনসংযোগের সুযোগ রাখায় অনেক প্রার্থী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি জানিয়েছে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা থাকায় এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এদিকে ১২জন প্রার্থী নির্বাচন পেছানো এবং অযৌক্তিক বিধি পরিবর্তনের দাবী জানালেও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি।

---

২০১০ সালের পর নির্বাচনের খবর শুনে সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দেয়। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর ফেসবুকে বিভিন্ন প্রার্থীর প্রচারনা সরগরম হয়ে উঠে।
নির্বাচনে সভাপতি পদে দৈনিক বাংলার কন্ঠ সম্পাদক এম হাবিবুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি সামস-উল আলম মিঠু ও দৈনিক দক্ষিণপ্রাপ্ত সম্পাদক, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট নজরুল হক অনু মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের ভোলার নির্বাহী সম্পাদক, নয়াদিগন্ত, এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি এডভোকেট সাহাদাত হোসেন শাহিন, দৈনিক যুগান্তর ও আরটিভি জেলা প্রতিনিধি অমিতাভ রায় অপু, মোঃ ওমর ফারুক, দৈনিক অন্যদিগন্ত জেলা প্রতিনিধি আল আমিন শাহরিয়ার মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এছাড়াও অন্যান্য ৯টি পদে আরো ১৫জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কিন্তু সভাপতি-সম্পাদক পদে যারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তাদের মধ্য থেকে ২জন রেখে বাকীদের যে কোন মূল্যে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়া হবে এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এমনকি অযৌক্তিক কারণে অনেক সিনিয়র সাংবাদিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হতে পারে। অনেক সাংবাদিকদের আশঙ্কা ইতোপূর্বে মামলাজনিত কারণে হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট হয়ে দীর্ঘদিন ভোট হয়নি। এবারও হয়তো বা নতুন করে কোন মামলা অথবা পুরোনো মামলা সামনে এনে ভোট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সব মিলিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর পর ভোটের তফসিল ঘোষিত হলেও শেষ পর্যন্ত ভোট হবে, নাকি হলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে না, অথবা এক তরফা একটি কমিটিকে বিজয়ী করা হবে এ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে প্রেসক্লাবের সদস্যদের মাঝে। এদিকে ভোলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ তথা সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একটি শান্তিপূর্ণ এবং সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দিকে তাকিয়ে আছেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৬:২৯   ৭০৩ বার পঠিত  







পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

জেলা’র আরও খবর


‘ইলিশের বাড়িতেও’ বৈশাখের দাপট, কেজি সাড়ে ৩ হাজার টাকা
আলহাজ্ব মুহাম্মদ শওকাত হোসেন, দৈনিক আজকের ভোলা এবং সত্যের পথে ৩৩ বছরের অগ্রযাত্রা
সরকারপক্ষকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে প্রমাণের চেষ্টা করছে বিরোধীদল: ব্যারিস্টার পার্থ
গণভোটের রায় অমান্যের প্রতিবাদে ভোলায় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিল
ভোলার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ভোলায় এক ভারতীয় নাগরিক আটক
৩২ পেরিয়ে ৩৩-এ পা দিল ভোলার প্রথম দৈনিক আজকের ভোলা
ভোলা সদর হাসপাতালে চালু হলো এক্স-রে মেশিন
ভোলা প্রেসক্লাবে নির্বাচনে অনু সভাপতি, লিটন সম্পাদক নির্বাচিত
ভোলার বিচ্ছিন্ন চরে দুপক্ষের দ্বন্দ্বে বিপাকে তরমুজ চাষিরা



আর্কাইভ